পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দেশের সেনাবাহিনীকে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। ভারতের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলার পর ‘আত্মরক্ষার অংশ’ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। বুধবার (৭ মে) ভোরে ভারতের চালানো প্রাণঘাতী হামলার কয়েক ঘণ্টা পরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
জরুরি জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির (NSC) বৈঠকের পর শাহবাজ শরিফ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে নিরপরাধ নাগরিকদের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে নির্দেশ দেন। ওই হামলাগুলোতে কমপক্ষে ২৬ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একটি তিন বছরের শিশুও ছিল, এবং অন্তত ৪৬ জন আহত হয়েছেন।
এনএসসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের নিরীহ নাগরিকদের হত্যাকাণ্ড ও সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের জবাবে যেকোনো সময়, যেকোনো স্থানে এবং যেকোনো উপায়ে প্রতিশোধ নেওয়ার অধিকার পাকিস্তান সংরক্ষণ করে। এ উদ্দেশ্যে সশস্ত্র বাহিনীকে পূর্ণ অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
শাহবাজ শরিফ বলেন, ‘যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পুরো জাতি একতাবদ্ধ এবং প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’
ভারত সরকার জানিয়েছে, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরে এক প্রাণঘাতী হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই পাকিস্তানে এই সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে। ঐ হামলায় ২০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন পর্যটক। ইসলামাবাদ অবশ্য এই হামলার সঙ্গে নিজেদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
উভয় দেশ এখন একে অপরের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় বিবৃতি দিচ্ছে, যার ফলে দক্ষিণ এশিয়ার দুই পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশীর মধ্যে নতুন করে সর্বাত্মক সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আপনি কি এই প্রতিবেদনটি আরও সংক্ষিপ্তভাবে চান?








