রেলওয়ের রানিং স্টাফদের ডাকা কর্মবিরতির কারণে আজ সোমবার মধ্যরাত থেকে সারা দেশে বন্ধ হতে পারে ট্রেন চলাচল। মূল বেতনের সঙ্গে রানিং অ্যালাউন্স যোগ করে পেনশন প্রদান এবং আনুতোষিক সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে জটিলতা নিরসন না হওয়ায় কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন তারা।
তবে সোমবারের মধ্যে দাবি না মানলে রেল চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্তে অনড় তারা। তারা বলেন, এবার মুখের কোনো আশ্বাস নয়, আদেশ পেলেই কর্মসূচি থেকে পিছু হটবেন।
সহিদুল ইসলাম নামে এক যাত্রী রেলওয়ের একটি গ্রুপে জানতে চেয়ে পোস্ট করেছেন, ২৮ তারিখ যারা অগ্রিম টিকিট কেটেছেন আমরা এখন কি করব?
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী একজন রানিং স্টাফ (চালক, সহকারী চালক, গার্ড, টিকিট চেকার) ট্রেনে দায়িত্ব পালন শেষে তার নিয়োগপ্রাপ্ত এলাকায় (হেডকোয়ার্টার) হলে ১২ ঘণ্টা এবং এলাকার বাইরে (আউটার স্টেশন) হলে ৮ ঘণ্টা বিশ্রামের সুযোগ পান।
রেলওয়ের স্বার্থে কোনো রানিং স্টাফকে তার বিশ্রামের সময়ে কাজে যুক্ত করলে বাড়তি ভাতা-সুবিধা দেওয়া হয়। যা রেলওয়েতে ‘মাইলেজ’ সুবিধা হিসেবে পরিচিত।
এরপরই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন রানিং স্টাফরা।
বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের সিদ্ধান্তে আমরা অনড়। ২৭ জানুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকেই আমাদের কর্মবিরতি কর্মসূচি শুরু হবে। দাবি না মানলে কারো সঙ্গে কোনো মিটিংয়ে বসতে আমরা বসতে রাজি না।








