বৃহস্পতিবার, ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চীনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ড্রোন কারখানা স্থাপন করছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী

পথে প্রান্তরে ডিজিটাল ডেস্ক 

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী চীনের সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তির মাধ্যমে যৌথ উদ্যোগে দেশে একটি আনম্যানড এরিয়াল ভেহিক্যাল (ইউএভি) বা ড্রোন উৎপাদন কারখানা স্থাপন করছে। কর্মকর্তারা আশা করছেন, এটি দেশের প্রতিরক্ষা শিল্প সক্ষমতার জন্য একটি বড় মাইলফলক হবে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই এই প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়াও চীন বাংলাদেশে একটি বিমান ওভারহলিং কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভার কার্যবিবরণীতে এই তথ্য উল্লেখ রয়েছে।

বিডার সভায় বিশেষায়িত ডিফেন্স ইকোনমিক জোন স্থাপন এবং সামরিক ও আধা-সামরিক বাহিনীর ব্যবহার্য পণ্য অভ্যন্তরীণভাবে উৎপাদনের জন্য সরকারি, বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

সভায় বিমানবাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানান, দুই বছর আগে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ অ্যারোনোটিক্যাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারে নিজস্ব নকশা অনুসারে চারটি বিমান তৈরি ও সফলভাবে উড্ডয়ন করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল নিজেদের প্রশিক্ষণ বিমান নিজস্ব প্রযুক্তিতে উদ্ভাবন করা এবং পরবর্তীতে বাণিজ্যিকভাবে স্পোর্ট এয়ারক্রাফট উৎপাদন করা।

বিমানবাহিনীর কর্মকর্তারা আরও জানান, বিশ্বজুড়ে বিমান সম্পর্কিত সরঞ্জামাদির চাহিদা রয়েছে এবং দেশের জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সমন্বিতভাবে কাজ করলে এভিয়েশন খাতে আরও উন্নয়ন সম্ভব হবে ও বিদেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনা বাড়বে।

চীনের বিমান ওভারহলিংয়ের প্রস্তাব সম্পর্কে একজন কর্মকর্তা সভায় বলেন, “বিমানবাহিনীর বিদ্যমান সক্ষমতা ও জনবলকে কাজে লাগিয়ে ব্যবহৃত বিমানের ইঞ্জিন ওভারহলিং করা সম্ভব। প্রতিবেশী দেশগুলোতেও একই মডেলের বিমান এবং বিমানের ইঞ্জিন জনপ্রিয় হওয়ায় এ খাতে বিদেশি বিনিয়োগ পাওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ হবে।”

সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও সংবাদ >

সর্বশেষঃ