জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই মিয়ানমার থেকে আসা ১২ লাখের বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। বর্তমানে নতুন করে আর কোনো রোহিঙ্গা ঢল সামাল দেওয়া সম্ভব নয়, কারণ এটি দেশের জন্য একটি বড় বোঝায় পরিণত হয়েছে।
বুধবার ঢাকার বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি রাখাইনে মানবিক করিডোর বিষয়ক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রাখাইনে মানবিক সংকট চরমে পৌঁছেছে এবং জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সেখানে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতি আরও বাস্তুচ্যুতিকে উৎসাহিত করতে পারে, যা বাংলাদেশের জন্য বড় হুমকি।
খলিলুর রহমান জানান, জাতিসংঘ রাখাইনে সহায়তা পাঠানোর উদ্যোগ নিলে বাংলাদেশ এর লজিস্টিক সহায়তা দিতে রাজি হয়। তবে সহায়তা কার্যকর করতে হলে আন্তর্জাতিক মানবিক নীতিমালা মানা বাধ্যতামূলক, যেমন—নিরবচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকার, সামরিক উদ্দেশ্যে সহায়তা ব্যবহার না করা এবং সহিংসতা বন্ধ রাখা। এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো চুক্তি হয়নি।
আরাকান বাহিনীর সাথে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এই যোগাযোগ বাস্তবিক প্রয়োজন থেকেই এবং বাংলাদেশ একইসঙ্গে মিয়ানমার সরকারের সাথেও যোগাযোগ বজায় রাখছে।








