মডেল মেঘনা আলম ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জানিয়েছেন, তাঁর একমাত্র সম্পর্ক ছিল সৌদি রাষ্ট্রদূত ঈসা ইউসুফ ঈসা আলদুহাইলানের সঙ্গে। ব্যবসায়ী দেওয়ান সমিরকে তিনি চিনেন না এবং তাঁর কোনো ধরনের বন্ধুত্বও নেই বলে দাবি করেন।
চাঁদাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় আজ বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) আদালতে উপস্থিত হন মেঘনা। মামলায় অভিযোগ রয়েছে, গত ২৯ মার্চ ধানমন্ডির এক রেস্তোরাঁয় একটি গোপন বৈঠকে মেঘনা, সমিরসহ কয়েকজন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে এক কূটনীতিকের কাছ থেকে ৫ মিলিয়ন ডলার আদায়ের পরিকল্পনা হয়। যদিও এজাহারে ওই কূটনীতিকের নাম উল্লেখ করা হয়নি।
আদালতে উপস্থিত থাকা একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, মেঘনা দাবি করেছেন সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। অপরদিকে, দেওয়ান সমির দাবি করেন, তাঁকে মেঘনার বয়ফ্রেন্ড বলা হলেও বাস্তবে তাঁদের কোনো সম্পর্ক নেই।
মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মেঘনাকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন এবং দেওয়ান সমিরকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর অনুমতি দেন। সমিরকে এর আগে ভাটারা থানায় আরেকটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
ডিবি পুলিশ ৯ এপ্রিল রাতে বসুন্ধরার বাসা থেকে মেঘনাকে আটক করে। এরপর ১০ এপ্রিল আদালত তাঁকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৩০ দিনের আটকাদেশ দেন। মেঘনার বাবা এই আটকাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রুল জারি করে।








