,

‘সবুজ সংকেত’ পেয়ে নির্বাচনি প্রস্তুতিতে বিএনপি মিত্ররা

‘সবুজ সংকেত’ পেয়ে নির্বাচনি প্রস্তুতিতে বিএনপি মিত্ররা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে তৎপর হয়ে উঠেছে বিএনপির মিত্র রাজনৈতিক দলগুলো। যদিও এখনো নির্বাচনের নির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা হয়নি এবং আসন ভাগাভাগি নিয়েও আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়নি, তবুও শীর্ষ মহল থেকে ‘সবুজ সংকেত’ পেয়ে মাঠে সক্রিয় হয়েছেন মিত্র দলগুলোর নেতারা।

জানা গেছে, তারা নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকায় জনসংযোগ, সামাজিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। পাড়া-মহল্লা ও হাটবাজারে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন, দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নির্বাচনে জয়ী হয়ে জাতীয় সরকার গঠন করা হলে, যুগপৎ আন্দোলনে থাকা মিত্রদের নিয়ে সরকার গঠন করা হবে। যদিও এখনো আসন ভাগাভাগির বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি, তবে মিত্রদের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো।

মিত্র দলগুলোর নেতারাও মনে করছেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। সেই সময় সামনে রেখে তারা দ্রুত নির্বাচনি প্রস্তুতি নিতে চাইছেন এবং সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ চাচ্ছেন। ঢাকায় অন্তত তিনটি আসন দাবি করতে পারেন বলে জানা গেছে।

নির্বাচনের প্রাথমিক প্রস্তুতিতে যারা আছেন তাদের মধ্যে আছেন—বগুড়া-২ আসনে মাহমুদুর রহমান মান্না, ঢাকা-৮ ও বাগেরহাট-১ থেকে সাইফুল হক, লক্ষ্মীপুর-৪ থেকে আ স ম আবদুর রব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ ও ঢাকা-১২ আসনে জোনায়েদ সাকি, ভোলা সদর ও ঢাকার একটি আসনে পার্থ, লক্ষ্মীপুর-১ এ শাহাদাত হোসেন সেলিম, কুমিল্লা-৭ এ রেদোয়ান আহমেদ, কিশোরগঞ্জ-৫ এ সৈয়দ এহসানুল হুদা, নড়াইল-২ এ ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, কুষ্টিয়া-২ এ আহসান হাবিব লিংকন, ঢাকা-৫ এ আব্দুল মতিন সাউদ, এবং পঞ্চগড়, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন আসনে আরও অনেক নেতা।

তারা বলছেন, এতদিন জনগণ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এবার যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, তাহলে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করার সুযোগ পাবে। এ আশায় মিত্ররা মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।

মাহমুদুর রহমান মান্না জানান, রোডম্যাপ ঘোষণা হলেই তারা পূর্ণমাত্রায় নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করবেন। সাইফুল হক জানান, অতীতে নির্বাচিত এলাকায় কার্যক্রমের পাশাপাশি নতুন এলাকাতেও গণসংযোগ জোরদার করছেন।

সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন, “৩১ দফা জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে আমরা প্রচার চালাচ্ছি।” অন্যান্য নেতারাও জানাচ্ছেন, তারা স্থানীয় পর্যায়ে নানা উন্নয়নমূলক ও সামাজিক কাজে অংশ নিচ্ছেন, যা ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও সংবাদ >

সর্বশেষঃ