২২ ম্যাচে সিটির পয়েন্ট ৩৮ (গোল ব্যবধান ১৫+)। সমান ম্যাচে নিউক্যাসেলেরও পয়েন্ট ৩৮ (গোল ব্যবধান ১২+)। শীর্ষ থাকা লিভারপুল ১২ পয়েন্ট এগিয়ে। ২১ ম্যাচে অলরেডদের পয়েন্ট ৫০। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে ১৮তম স্থানেই স্থির ইপসউইচ।
সেরা চারে জায়গা দখল করতে বড় ব্যবধানেই জিততে হতো ম্যানসিটিকে। কেননা গার্দিওলার দল ৩-০ গোলে জিতলেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হতো না। কিন্তু অর্ধডজন গোলে জেতার ফলে নিউক্যাসেল ইউনাইটেডের সঙ্গে গোল ব্যবধান ৩ বাড়িয়ে নিতে পেরেছে সিটি। অর্থাৎ সিটি সেরা চারে উঠেছে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে।
৪৯ মিনিটে গোল করেন জেরেমি ডকু (৪-০)। ৫৭ মিনিটে আরলিং হালান্ডকে আরেকটি গোল বানিয়ে দেন বেলজিয়ান উইঙ্গার। চলতি সপ্তাহে সিটির সঙ্গে ১০ বছরের চুক্তি করা হালান্ডের গোলে ৫-০ তে এগিয়ে যায় সফরকারীরা।
ম্যানসিটির হয়ে শেষ গোল করেন বদলি খেলোয়াড় জেমস এমকেতি (৬-০)। ৬৯ মিনিটে দুর্দান্ত হেডে ইপসউইচের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ইংলিশ মিডফিল্ডার।








