শুক্রবার, ২৮শে মার্চ, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের শাস্তি ৭ বছর, নতুন অধ্যাদেশ আসছে

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনী অনুযায়ী, বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি সাত বছর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, উপদেষ্টা পরিষদের সভায় সংশোধনী চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের মামলাগুলোর জন্য নতুন কিছু ধারা সংযোজন করা হয়েছে। আগে যে আইনি কাঠামো ছিল, তার মধ্যে পরিবর্তন এনে সর্বোচ্চ সাজা সাত বছর করা হয়েছে এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া, নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের সংশোধনীতে নতুন কিছু সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়ার বিলম্ব কমানোর লক্ষ্যে ডিএনএ পরীক্ষাসহ অন্যান্য ব্যবস্থার উন্নতির জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও অপূর্ব জাহাঙ্গীর।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনী অনুযায়ী, বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি সাত বছর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, উপদেষ্টা পরিষদের সভায় সংশোধনী চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের মামলাগুলোর জন্য নতুন কিছু ধারা সংযোজন করা হয়েছে। আগে যে আইনি কাঠামো ছিল, তার মধ্যে পরিবর্তন এনে সর্বোচ্চ সাজা সাত বছর করা হয়েছে এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

এছাড়া, নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের সংশোধনীতে নতুন কিছু সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়ার বিলম্ব কমানোর লক্ষ্যে ডিএনএ পরীক্ষাসহ অন্যান্য ব্যবস্থার উন্নতির জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও অপূর্ব জাহাঙ্গীর।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও সংবাদ >

সর্বশেষঃ